দাওয়াহ ইনস্টিটিউটের ঠিকানা

Logo

দায়ীর গুনাবলী

মুফতি যোবায়ের আহমেদ

সকল প্রশংসা সেই মহান আল্লাহ তাআলার যিনি মানবজাতিকে সকল সৃষ্টির সেরা
বানিয়েছেন। সেরা ও শ্রেষ্ঠ মানুষগুলোর জীবন পরিচালনার জন্য সুখ ও শান্তিতে
থাকার জন্য আমাদেরকে দিয়েছেন পবিত্র আল-কুরআন। যা সবার জন্য সমান।
দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সকল মানুষের নবী, প্রিয় নবী, শেষ নবী হযরত
মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি। তার পরিবার পরিবর্গদের প্রতি
এবং তার সাহাবাদের প্রতি।


আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে দা‘য়ী বানিয়ে পাঠিয়েছেন। দাওয়াত হলো
মুসলমানদের মৌলিক দায়িত্ব। এটা মৌলিক কাজ। প্রাসঙ্গিক কাজ নয়। এটা
মাক্বসাদ, জরুরত নয়। যিনি এই কাজ আঞ্জাম দিবেন, দাওয়াত দিবেন, তাকে
বলা হয় দা‘য়ী বা ইসলামের প্রচারক। যিনি ইসলাম প্রচারক হবেন, তার মধ্যে
কিছু গুণবলী থাকার প্রয়োজন। এসব গুণে গুণান্বিত হতে পারলে তার দাওয়াতে
প্রভাব সৃষ্টি হবে। মানুষ হেদায়াতের দিকে আসবে।


দীর্ঘদিন যাবত ইচ্ছা ছিলো দা‘য়ীদের কিছু গুণাবলী সংগ্রহ করবো। যার দ্বারা
আমি নিজে উপকৃত হবো এবং আমল করার চেষ্টা করবো। এ বছর ১৪৩৯ হি.
সনের রমজানে আল্লাহ তাআলা উমরা করার তাওফিক দিয়েছিলেন। মদীনা
শরীফের অবস্থিত সুবিশাল লাইব্রেরিতে সময় কাটাচ্ছিলাম। বিভিন্ন কিতাবে চোখ
বুলাচ্ছিলাম। একপর্যায়ে হাদীসের একটি কিতাবে নবীজীর সীরাত ও গুণাবালী
সম্বলিত একটি লম্বা হাদিসে চোখ আটকে গেলো। ভাবলাম নবীজী আমাদের
আদর্শ তার সকল গুণাবলী আমার মধ্যে থাকার প্রয়োজন। তাই সেখান থেকে
গুণাবালী সংগ্রহ করলাম, হাদিসের কিতাব থেকে এসব গুণাবলী পৃথক আকারে
একটি বই লেখার মনস্থ করলাম। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তাআলা উমরার সফরে
বইটি লিখে শেষ করার তৌফিক দান করেন।


আশা করি বইটি সকল মুসলমানের বিশেষ করে দা‘য়ীরা অনেক উপকৃত হবেন।
পাঠকদের প্রতি আমাদের আবেদন, আসুন আমরা দা‘য়ী হওয়ার নিয়ত করি,
এবং এসবগুনে গুনান্বিত হওয়ার চেষ্টা করি। আল্লাহর কাছে দুআ করি। মানুষ
মাত্রই ভুল। আমরাও ভূলের উর্দ্ধে নয়। তাই পাঠকের দৃষ্টিতে কোন ভুল ধরা
পড়লে জানিয়ে বাধিত করবেন, আমরা উপকৃত হবো। পরবর্তী সংস্করণে
সংশোধন করবো ইনশাল্লাহ। পরিশেষে দুআ করি আল্লাহ তাআলা লেখক, পাঠক
বইটি প্রস্তুত করতে যারা সহযোগীতা করেছেন সকলকে কবুল করুন। সকলকে
দা‘য়ীর গুণাবালীর উপরে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
-যুবায়ের আহমদ।

অনলাইনে বইটি পড়ুনঃ

দায়ীর-গুনাবলী